হোম খেলাধুলা সহজ জয়ে এক নাম্বারে মাশরাফির রংপুর

সহজ জয়ে এক নাম্বারে মাশরাফির রংপুর

10

বিটিএন২৪ রিপোর্ট: আসল কাজটা করে দিয়েছিলেন বোলাররাই। রংপুর রাইডার্সের দুই ব্যাটসম্যান ক্রিস গেইল আর এবি ডি ভিলিয়ার্স তুলির শেষ আঁচড়টুকু টানলেন। তাদের ব্যাটে চড়ে মাত্র ৭৩ রানের লক্ষ্য ৯.৩ ওভারেই পেরিয়ে গেছে রংপুর।

৯ উইকেটের জয়ে বিপিএলের পয়েন্ট তালিকার এক নাম্বারে উঠেই প্লে-অফের মঞ্চে দাঁড়িয়েছে মাশরাফি বিন মর্তুজার দল। ছোট লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুতেই মেহেদী মারুফকে হারিয়ে বসেছিল রংপুর। ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারে সঞ্জিত সাহার বলে বোল্ড হয়ে তিনি ফেরেন মাত্র ৫ রানে। তবে পরের সময়টায় কুমিল্লার ভিক্টোরিয়ানসের বোলারদের আর কোনো সুযোগ দেননি গেইল আর ডি ভিলিয়ার্স। ৬৭ রানের অবিচ্ছিন্ন জুটিতে দলকে জিতিয়েই মাঠ ছেড়েছেন তারা।

৩০ বলে ৩ বাউন্ডারি আর ২ ছক্কায় গেইল অপরাজিত থাকেন ৩৫ রানে। মারকুটে ডি ভিলিয়ার্স মাত্র ২২ বলে করেন ৩৪ রান, প্রোটিয়া এই ব্যাটসম্যানের ইনিংসটিতে ছিল ৪টি চার আর ২টি ছক্কার মার। এর আগে রংপুর রাইডার্সের বোলারদের তোপে মাত্র ৭২ রানেই গুটিয়ে যায় কুমিল্লার ইনিংস।

টস জিতে আগে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছিল ইমরুল কায়েসের দল। বল হাতে নিয়ে শুরু থেকেই কুমিল্লার ব্যাটসম্যানদের ওপর ছড়ি ঘোরাতে থাকেন রংপুরের বোলাররা। ইনিংসের প্রথম ওভারেই তামিম ইকবালের (০) উইকেটসহ মেইডেন নেন নাহিদুল ইসলাম। নিজের পরের ওভারেই আরেক ওপেনার এনামুল হক বিজয়কেও(৫) ফেরান নাহিদুল।

চতুর্থ ওভারে উইকেট শিকারের উৎসবে যোগ দেন মাশরাফি। পরপর দুই ওভারে সাজঘরে পাঠিয়ে দেন কুমিল্লা অধিনায়ক ইমরুল কায়েস (০) এবং থিসারা পেরেরাকে (৩)। মাঝে চতুর্থ ওভারে শামসুর রহমানের(১২) উইকেট নেন শহীদুল ইসলাম।

ষষ্ঠ ওভারে মাত্র ২৩ রান তুলতেই সাজঘরে ফিরে যান পাঁচ ব্যাটসম্যান। সেখান থেকে খানিক প্রতিরোধ গড়েন লিয়াম ডসন এবং জিয়াউর রহমান। ২ চারের সঙ্গে ১ ছয়ের মারে ইনিংস সর্বোচ্চ ২১ রান করেন জিয়া। তাদের ৩৩ রানের জুটি ভাঙেন রবি বোপারা। পরে কুমিল্লা লেজ মুড়িয়ে দেয়ার কাজটাও করেন বোপারাই। ৩ ওভারে মাত্র ৭ রান খরচায় নেন ৩ উইকেট। তবে দশম ব্যাটসম্যান হিসেবে সঞ্জিত সাহাকে লেগ বিফোরের ফাঁদে ফেলে নিজের অভিষেক ম্যাচেই ক্যারিয়ারের প্রথম উইকেট নিয়ে নেন লেগস্পিনার মিনহাজুল আবেদীন আফ্রিদি।