হোম রাজনীতি বাবরি মসজিদ নিয়ে আদালতের রায়ে জামায়াতের উদ্বেগ

বাবরি মসজিদ নিয়ে আদালতের রায়ে জামায়াতের উদ্বেগ

67
0
বাবরি মসজিদ নিয়ে আদালতের রায়ে জামায়াতের উদ্বেগ
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির মকবুল আহমাদ

বিটিএন২৪ রিপোর্ট: ভারতের অযোধ্যার বহু প্রতীক্ষিত বাবরি মসজিদ সংক্রান্ত দেশটির সুপ্রিম কোর্টের রায়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির মকবুল আহমাদ।

সোমবার (১১ নভেম্বর) দুপুরে দলের প্রচার বিভাগ থেকে পাঠানো বিবৃতিতে তিনি এ উদ্বেগ জানান।

বিবৃতিতে বাবরি মসজিদ সংক্রান্ত মামলার রায়ে আমরা গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করছি উল্লেখ করে মকবুল আহমাদ বলেন, ‘এ রায় ভারতের মুসলমানসহ মুসলিম উম্মাহর কাছে গ্রহণযোগ্য নয়।’

জামায়াতে ইসলামীর আমির বলেন, ‘ভারতের একটি সাম্প্রদায়িক গোষ্ঠী জাতিসংঘ কর্তৃক ঘোষিত ধর্মীয় ও মানবাধিকার সনদ এবং ভারতীয় আইন লঙ্ঘন করে রাজনৈতিক শক্তির জোরে ৪৬০ বছরের পুরনো বাবরি মসজিদ ভেঙে দিয়ে মুসলমানদের ধর্মীয় অধিকারের প্রতি বৃদ্ধাঙ্গুলি প্রদর্শন করেছে। ’

ভারতের সর্বোচ্চ আদালত প্রকারান্তরে ওই সাম্প্রদায়িক গোষ্ঠীর অন্যায় কাজকেই বৈধতা দিলো বলে মন্তব্য করে জামায়াতে ইসলামীর প্রধানের দাবি, ‘এতে মুসলিম উম্মাহ মর্মাহত ও উদ্বিগ্ন। বাবরি মসজিদের স্থানে রামমন্দির নির্মাণের জন্য ছেড়ে দিয়ে অন্য কোথাও মসজিদের জন্য পাঁচ একর জমি দানের যে কথা রায়ে বলা হয়েছে, তা মুসলমানদের প্রতি চরম উপহাসের শামিল। ভারতের মুসলিম সমাজকে তাদের ধর্মীয় ন্যায্য অধিকার থেকে বঞ্চিত করা হয়েছে।’

সাম্প্রদায়িক গোষ্ঠী ‘বাবরি মসজিদের স্থানে পূর্বে মন্দির ছিল’ মর্মে যে দাবি করছে, তা সম্পূর্ণ অসত্য ও বিভ্রান্তিকর জানিয়ে জামায়াত নেতা বলেন, ‘ওই স্থানে খনন কাজ করেও মন্দিরের কোনও চিহ্ন পর্যন্ত পাওয়া যায়নি। ভারতীয় প্রত্নতত্ত্ববিদরাও ওই স্থানে মন্দিরের কোনও নিদর্শন আবিষ্কার করতে পারেননি। সুপ্রিম কোর্ট নিজেও মেনে নিয়েছে যে, পুরাতাত্ত্বিক পর্যবেক্ষণের রিপোর্টে কোনোভাবেই প্রমাণ হচ্ছে না যে, একটা মন্দিরকে ভেঙে ওখানে মসজিদ তৈরি করা হয়েছিল। এ থেকেই প্রমাণিত হচ্ছে যে, বাবরি মসজিদের স্থানে মন্দির নির্মাণের দাবি সম্পূর্ণ অন্যায় ও অযৌক্তিক এবং ন্যায়নীতির পরিপন্থী।’