হোম আরও বার্তা আলাপচারিতা পশুরহাট ও কোরবানির বিরোধীতা কারীরা ইসলামের দুশমনদের

পশুরহাট ও কোরবানির বিরোধীতা কারীরা ইসলামের দুশমনদের

7
0
পশুরহাট ও কোরবানির বিরোধীতা কারীরা ইসলামের দুশমন

বিটিএন24 ব্রাহ্মণবাড়িয়া : ঈদুল আজহা প্রায় চলে এসেছে, আর অল্পকিছু দিন পর-ই মুসলমানদের ধর্মীয় অন্যতম এক এবাদত ঈদুল আজহা। রাসুলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন, মুসলমানদের দুটো আনন্দ ও খুশির দিন রয়েছে, তারমধ্যে একটি হলো ঈদুল ফিতর, আরেকটি হলো ঈদুল আজহা।
ঈদুল আজহার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ এবাদত হচ্ছে পশু কোরবানি করা।পশু কোরবানির মাধ্যমে বান্দাহ তার রাব্বুল আলামিনের হুকুম পালন করে তার সন্তুষ্টি অর্জন করে থাকে। কোরবানিকৃত পশুর গোশত গরীব অসহায় মানুষদের মাঝে বিলিয়ে তাদের মুখে হাসি ফোটাতে ও কোরবানির রয়েছে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা।
বর্তমান করোনা পরিস্থিতির কারণে বিশ্বব্যাপী সবকিছুই চলছে সীমিত আকারে। করোনার প্রাদুর্ভাব দিনদিন আমাদের দেশেও বৃদ্ধি পাচ্ছে।
বাংলাদেশের প্রতিটি জায়গায় এই পরিস্থিতিতে ও মানা হচ্ছে না বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ও বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক ঘোষিত স্বাস্থ্য নীতিমালা। বাজার হাট,রাস্তা,দোকান  শপিংমল কিংবা যানবাহনে।
কিন্তু অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় যে, করোনা পরিস্থিতির কথা বলে শুধুমাত্র ইসলামী এবাদতের সাথে  সম্পর্কিত বিষয়াদির উপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ বা প্রশ্নবোধক চিহ্ন দাড় করানোর একটা অপচেষ্টা করা হয় কিছু সুশীল নামের অসুশীলদের পক্ষ থেকে।
সামনে ঈদুল আজহা ও কোরবানি নিয়েও কিছু বিকৃতমস্তিষ্কমনা লোকদের পক্ষ থেকে এখন থেকে ই কোরবানি ও পশুর হাট নিয়ে কথা বলতে দেখা যাচ্ছে।
ইসলামের দুশমনদের ক্রীড়নক হয়ে বিদেশি  এজেন্ট হয়ে তারা সবসময়ই ইসলামের বিরুদ্ধে বক্তব্য দিয়ে থাকে।যা মুসলমানদের হৃদয়ে আঘাত হানে,তাদের এমন বক্তব্য গুলো দেশের শান্তিশৃঙ্খলা বিনষ্ট করে, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্ট করতে তাদের ইসলাম বিরোধী বক্তব্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
যারা করোনা পরিস্থিতির দোহায় দিয়ে ঈদুল আজহা ও কোরবানি না করার ঠুনকো অজুহাত দাড় করানোর অপচেষ্টা করবে তাদেরকে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্ট করার অপরাধে অভিযুক্ত করে আইনের আওতায় আনা প্রয়োজন।
শান্ত পরিবেশকে যেনো অশান্ত করতে না পারে এরজন্য ঐসকল জ্ঞানপাপীদের বিষয়ে রাষ্ট্র ও সরকারকে পদক্ষেপ নিতে হবে।
পশুরহাট, কোরবানি ও ঈদুল আজহার সকল অনুষ্ঠান পালনে প্রত্যককে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ও বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক ঘোষিত স্বাস্থ্য নীতিমালা মেনে চলা একান্ত প্রয়োজন, এবিষয়ে সকলকেই আরও বেশি সচেতন হতে হবে।

লেখক: মুফতী মোহাম্মদ এনামুল হাসান যুগ্ম সম্পাদক ইসলামী ঐক্যজোট ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা